একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ২০২১-২০২২ | এইচএসসি ভর্তি ২০২২

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ২০২১-২০২২ | এইচএসসি ভর্তি ২০২২

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ২০২১-২০২২ | একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ২০২২ | এইচএসসি ভর্তি ২০২২ | Xi Class Admission 2022 : সুপ্রিয় পাঠকবৃন্দ! আপনারা যদি বাংলাদেশের সকল সরকারি, বেসরকারি, স্কুল, মাদরাসা প্রতিষ্ঠান সমূহের একাদশ তথা এইচএসসি বা আলিম শ্রেণিতে ভর্তির সকল খুঁটিনাটি তথ্য জানতে চান তাহলে আপনাকে স্বাগতম! প্রথমত এখানে আলোচনার প্রধান টপিক গুলো দেয়া হবে এবং পরবর্তীতে সেগুলো ধারাবাহিক ভাবে আলোচনা করা হবে, যাতে আপনারা খুভ সহজে কাঙ্ক্ষিত তথ্য জেনে নিতে পারেন। চলুন শুরু করা যাক!

যা যা থাকছে এই আর্টিকেলে : ১) একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সাম্প্রতিক আপডেট। ২) একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন যোগ্যতা, ৩) সংক্ষেপে ভর্তির সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া, ৪) কলেজ-মাদরাসা চয়েজ ও আবেদন ফি, ৫) একাদশ শ্রেণিতে প্রাথমিক আবেদন নিয়ম, ৬) ভর্তি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তারিখ, ৭) ভর্তি ফি এবং ৮) ভর্তি হতে যেসব কাগজপত্র লাগবে, ৯) একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা ২০২২, ১০) ভর্তির ক্ষেত্রে বিভাগ বা শাখা নির্বাচন সহ বিস্তারিত তথ্যবলি :

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ২০২১-২০২২ | এইচএসসি ভর্তি ২০২২

১ম পর্যায়ে আবেদন শুরু০৮ জানুয়ারি ২০২২
১ম পর্যায়ে আবেদন শেষ১৫ জানুয়ারি ২০২২
আবেদন ফি ও মাধ্যম১৫০/- টাকা ও শুধুমাত্র অনলাইন
আবেদন নিয়মএকাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন নিয়ম

একাদশ শ্রেণিতে আবেদন যোগ্যতা ২০২২

১) দেশের যেকোন শিক্ষা বোর্ড থেকে ২০১৯, ২০২০ বা ২০২১ সালের এসএসসি বা দাখিল বা এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের নীতিমালার অন্যান্য শর্ত সাপেক্ষে যেকোন কলেজ বা সমমান (মাদরাসা, কারিগরি) প্রতিষ্ঠানের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে। তবে বিভিন্ন কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে পৃথক পৃথক যোগ্যতা রয়েছে নিম্নে দেখে নিন :

আরও দেখুন : বিভিন্ন কলেজে একাদশ শ্রেণিতে আবেদন করার যোগ্যতা ২০২২

২) আর উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় হতে ২০২১ বা তার আগের কোনো সালে এসএসসি পরিক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবে। তবে তাদেরকে বোর্ডে ম্যানুয়ালি (সরাসরি কাগজে কলমে) আবেদন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে তাদের বয়সের কোনো বাধা-নিষেধ নেই।

তবে বিদেশি কোন বোর্ড বা অনুরুপ কোন প্রতিষ্ঠান হতে সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীগণ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বোর্ড ঢাকা, কর্তৃক তার সনদের মান নির্ধারণের পর উপোরিউক্ত শর্ত সাপেক্ষে ভর্তির যোগ্য হবে।

যেভাবে কলেজে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে

একাদশ শ্রেণিতে আবেদনকারীদের মধ্যে যদি কয়েক জনের একই জিপিএ হয়, তাহলে তাদের এসএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত মোট নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে। এ ক্ষেত্রে মাদরাসা, কারিগরি ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এর শিক্ষার্থীদের পয়েন্ট ও প্রাপ্ত নম্বর সমতুল্য করে হিসাব করতে হবে। এভাবে বিগত সালের গ্রেড পয়েন্ট ও প্রাপ্ত নম্বর সমতুল্য করে হিসাব করতে হবে।

অর্থাৎ মেধাক্রম নির্ণয়ে জিপিএ ও নম্বরের ক্ষেত্রে নতুন-পুরাতন, জেনারেল, মাদ্রাসা, উন্মুক্ত ও কারিগরি বোর্ড এর শিক্ষার্থী সবই সমান।

বিজ্ঞান গ্রুপ : বিজ্ঞান গ্রুপে আবেদনকারীদের মধ্যে সমান মোট নম্বর প্রাপ্তদের মেধাক্রম নির্ধারণের ক্ষেত্রে সাধারণ গণিত ও উচ্চতর গণিত / জীববিজ্ঞানে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনতে হবে।  অর্থাৎ  যাদের সাধারণ গণিত ও উচ্চতর গণিত বা জীববিজ্ঞানে বেশি নাম্বার থাকবে সেই এগিয়ে থাকবে।

এরপরও যদি বিজ্ঞান বিভাগে আবেদনকারীদের মেধাক্রম নির্ধারণে বা প্রার্থী বাছাইকালীন উদ্ভূত জটিলতা নিরসন না হয়, তবে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়নে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনা হবে।  অর্থাৎ প্রথমে ইংরেজি এর নম্বর দিয়ে বিবেচনা করা হবে। এতে সমাধান না হলে পদার্থবিজ্ঞানের নম্বর। এভাবে প্রয়োজনে রসায়নের নম্বর বিবেচনায় আনা হবে।

মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপ : এর ক্ষেত্রে সমান মোট নম্বর বিষয়টি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনতে হবে।

বিভাগ পরিবর্তনকারীদের ক্ষেত্রে : এক গ্রুপের প্রার্থী অন্য গ্রুপে ভর্তির ক্ষেত্রে জি.পি.এ একই হলে সর্বমোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে। এক্ষেত্রে প্রার্থী বাছাইকল্পে উদ্ভুত জটিলতা নিরসন না হলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনা হবে।

যেভাবে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে এক নজরে দেখে নাও

১ম ধাপ : বাংলাদেশের যেকোনো প্রতিষ্ঠানে ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীকে প্রথমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে প্রাথমিক আবেদন করতে হবে। যারা বোর্ড চ্যালেঞ্জ বা ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করবে তাদেরকেও ঐ সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে। অবশ্য তাদের ফল পরিবর্তিত হলে পরবর্তীতে তারা আবার আবেদন করার সুযোগ পাবে।

এরই মধ্যে যারা আবেদন করে কলেজ তালিকা বা পছন্দক্রম পরিবর্তন করতে চায় তারা আবেদনের তারিখ হতে ২৪/০১/২০২২ তারিখ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫ বার তাদের ১ম পর্যায়ের আবেদন সংশোধন করতে পারবে।

তাছাড়া আবেদনের সময় শেষ হওয়ার পর “আবেদন যাচাই বাচাই ও আপত্তি নিষ্পত্তি” এর জন্য সময় দেওয়া হবে। এর মানে হলো উক্ত সময় যারা আবেদন করেছে তারা তাদের আবেদন রিচেক করতে পারবে এবং ভুল ত্রুটি হলে চিহ্নিত করবে। এরপর যারা বোর্ড চ্যালেঞ্জ করেছে তারা আবেদন করতে পারবে।

এরপর ১ম পর্যায়ে আবেদনকারীদের মেধাতালিকার ফলাফল বের হবে। যাদের পছন্দমত ১ম চয়েজের সাবজেক্ট ও কলেজ আসবে, তাদেরকে সাথে সাথে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অবশ্যই ভর্তি নিশ্চায়ন করে নিতে হবে। কেননা ভর্তি নিশ্চায়ন না করলে ১ম পর্যায়ের selection এবং আবেদন উভয়ই বাতিল বলে গণ্য হবে।

তারপর চূড়ান্ত ভর্তির জন্য অপেক্ষা করবে। কেননা চূড়ান্ত ভর্তির সময় ফি ও কাগজপত্র দিয়ে সরাসরি প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ভর্তি হতে হবে। তাই উক্ত সময়ের মধ্যে কলেজ বা মাদরাসায় ভর্তি হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করতে হবে।

আর যাদের পছন্দমত ১ম চয়েজের সাবজেক্ট ও কলেজ আসবে না, নিশ্চায়ন না করে মাইগ্রেশন করতে পারবে। আবার মাইগ্রেশন করতে না চাইলে নতুন করে আবার আবেদনও করতে পারবে।

আরও দেখুন : একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন নিয়ম

২য় ধাপ : যাদের কোন ফলাফল আসেনি অথবা যারা মাইগ্রেশন করতে চাও তারা ২য় পর্যায়ে আবেদনের সময়ের মধ্যে আবেদন বা মাইগ্রেশন করতে হবে। আবেদন করার পর যথারীতি ২য় মেধাতালিকার জন্য অপেক্ষা করবে।

কিছুদিন পর ২য় মেধাতালিকা এবং ১ম মাইগ্রেশনের ফলাফল বের হবে। পূর্বের মত যাদের পছন্দমত ১ম চয়েজের সাবজেক্ট ও কলেজ আসবে, তাদেরকে সাথে সাথে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন করে নিতে হবে এবং চূড়ান্ত ভর্তির জন্য অপেক্ষা করবে।

আর যাদের পছন্দমত সাবজেক্ট ও কলেজ আসবে না, তারা পূণরায় ৩য় পর্যায়ে আবেদনকারীদের সাথে মাইগ্রেশন করতে পারবে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য : ১) যারা ইতিমধ্যে কোনো কলেজে নির্বাচিত (selection) হয়নি, তারা কোন প্রকার ফি ব্যতীত ২য় পর্যায়ে আবেদন করতে পারবে। ২) যারা ইতিমধ্যে কোনো কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন করেনি অথবা ১ম মেধা তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত হয়েও যারা নিশ্চায়ন করেনি, তারা আবেদন ফি বাবত ১৫০- টাকা দিয়ে ২য় পর্যায়ে আবেদন করতে পারবে। ৩) আর যারা পূর্বে আবেদন ফি দিয়েছে কিন্তু আবেদন করেনি তারাও আবেদন করতে পারবে।

৩য় ধাপ : ২য় পর্যায়ে যাদের কোন ফলাফল আসেনি অথবা যারা এখনও একাদশ শ্রেণিতে আবেদন করেনি তারা সর্বশেষ ধাপ ৩য় পর্যায়ে আবেদন করার সুযোগ পাবে। এই সময়ে ১ম ও ২য় পর্যায়ে যারা আবেদন করে যাদের পছন্দমত সাবজেক্ট বা কলেজ আসিনি তারাও এই পর্যায়ে মাইগ্রেশন করতে পারবে।

তারপর সর্বশেষ ৩য় মেধাতালিকা এবং ২য় মাইগ্রেশনের ফলাফল বের হবে। এখন যাদের যেটা ফলাফল আসবে, সেটাতেই ভর্তি হতে হবে। তাই যেই রেজাল্ট আসুক না কেন সাথে সাথে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন করে নিতে হবে এবং চূড়ান্ত ভর্তির জন্য অপেক্ষা করবে।

এরপর চুড়ান্ত ভর্তি হওয়ার জন্য ভর্তির নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে যে কলেজে চান্স পাবে, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে সে কলেজে গিয়ে কলেজের নিয়মানুযায়ী ভর্তি হতে হবে।

একাদশ শ্রেণির ভর্তিরগুরুত্বপূর্ণ তারিখ
১ম পর্যায়ে আবেদন০৮ হতে ১৫ জানুয়ারি ২০২২ পর্যন্ত
বিষয় বা কলেজ পরিবর্তনের সময়০৮ হতে ২৪ জানুয়ারি ২০২২ পর্যন্ত
আবেদন যাচাই বাছাই১৭ হতে ২১ জানুয়ারি ২০২২ পর্যন্ত
বোর্ড চ্যালেঞ্জদের আবেদন২২ ও ২৩ জানুয়ারি
১ম মেধাতালিকার ফল প্রকাশ২৯ জানুয়ারি ২০২২
(রাত ৮ টা)
১ম পর্যায়ে নিশ্চায়নের সময়৩০ জানুয়ারি হতে ০৬
ফেব্রুয়ারি ২০২২ পর্যন্ত
২য় পর্যায়ে আবেদন শুরু০৭ হতে ০৮ ফেব্রুয়ারি
(রাত ৮ টা পর্যন্ত)
২য় পর্যায়ে আবেদন শেষ— ফেব্রুয়ারি ২০২২
২য় মেধা ও ১ম মাইগ্রেশন ফল— ফেব্রুয়ারি ২০২২

কলেজ চয়েজ ও আবেদন ফি : আবেদন করার সময় একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে আবেদন করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে ৫ টি কলেজে আবেদন করলে ১৫০/- ফি দিতে হবে। ঠিক তেমনিভাবে ১০ টি কলেজে আবেদন করলেও আবেদন ফি বাবত ১৫০/- টাকা একবারই দিতে হবে।

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন নিয়ম

বিগত কয়েক বছরের মত এবারও এসএসসি ফলাফলের ভিত্তিতে কলেজে ভর্তি করা হবে। তবে এবার একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য প্রাথমিক আবেদন শুধুমাত্র অনলাইনে করা যাবে এবং মাদরাসা, কলেজ এবং কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সবাইকে একই নিয়মে আবেদন করতে হবে।

তাই আবেদন প্রক্রিয়া অনেক লম্বা আলোচনার ব্যাপার হওয়ায় আলাদাভাবে পোস্ট করা হয়েছে। নিম্নের লিংক থেকে দেখে নিন যেভাবে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করবেন তা জানতে এখানে ক্লিক করুন

একাদশ শ্রেণির ভর্তি ফলাফল দেখার নিয়ম

২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ১ম পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফলাফল ২৯ জানুয়ারি, ২০২২ তারিখ, রাত ৮ টায় অনলাইনে প্রকাশ করা হবে। একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে ভর্তির ফলাফল দেখতে এখানে ক্লিক করুন। নিম্নে ফল দেখার নিয়ম দেখুন :

  • “Result” অপশনে ক্লিক করুন। এরপর প্রদর্শিত তথ্য ছকে এসএসসি রোল নম্বর দিন।
  • এরপর এসএসসি পরীক্ষার বোর্ড সিলেক্ট করুন।
  • এরপর এসএসসি পাসের সাল সিলেক্ট করুন।
  • এরপর আপনার এসএসসির রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিন;
  • এরপর Verification কোডটি সঠিকভাবে পূরণ করে “View Result” Button -এ ক্লিক করতে হবে।
  • এখন, আপনি একাদশ শ্রেণিতে কোন কলেজে চান্স পেয়েছেন কি না তা দেখতে পারবেন।

গুরুত্বপূর্ণ লিংক : সিকিউরিটি কোড পুনরুদ্ধার করতে এখানে ক্লিক করুন মোবাইল নাম্বার পরিবর্তন করতে এখানে ক্লিক করুন

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

কলেজে চূড়ান্ত ভর্তি হওয়ার সময় নিম্নোক্ত কাগজপত্র সহ প্রত্যেকটির ২ কপি ফটোকপি নিয়ে উপস্থিত হতে হবে। তারপর কলেজের ফরম সংগ্রহ করে, তা পূরণ করে উক্ত কাগজপত্রসমূহ সহ ভর্তি ফি জমা দিয়ে ভর্তি সম্পন্ন করতে হবে। 

  1. এসএসসি বা দাখিল পরীক্ষার মূল মার্কশীট বা একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট।
  2. মূল প্রসংশাপত্র বা টেস্টিমোনিয়াল।
  3. এসএসসি বা দাখিল পরীক্ষার মূল প্রবেশপত্র বা এডমিট কার্ড।
  4. মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড।
  5. অভিভাবকের ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি।
  6. শিক্ষার্থীর পাসপোর্ট সাইযের ছবি কমপক্ষে ৪ কপি এবং স্ট্যাম্প সাইযের ছবি ২-৪ কপি।
  7. অভিভাবকের পাসপোর্ট এবং স্ট্যাম্প সাইযের সাইযের ছবি ২ কপি।
  8. পাঠ বিরতি / শিক্ষা বিরতি সনদপত্র (যারা ২০১৯ ও ২০২০ সালে এসএসসি পাশ করেছে, তাদের জন্য প্রযোজ্য)
  9. কোটার সনদপত্র (যারা কোটায় আবেদন করেছে, তাদের জন্য প্রযোজ্য)

  একাদশ শ্রেণিতে চূড়ান্ত ভর্তি পদ্ধতি

২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার জন্য যারা মেধাতালিকায় স্থানপ্রাপ্ত হবে, শুধু তারাই একাদশ শ্রেণিতে চূড়ান্ত ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবে। চূড়ান্ত ভর্তির সময় ৩০/০১/২০২২ তারিখ হতে (নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ি) ০৬/০২/২০২২ তারিখ পর্যন্ত। চূড়ান্ত ভর্তি হওয়ার জন্য উক্ত সময়ের মধ্যে উপোরিউক্ত কাগজপত্র সহ সংশ্লিষ্ট কলেজে গিয়ে ভর্তি হতে হবে। অবশ্য কলেজে যাওয়ার আগে প্রথমে উপোরিউক্ত কাগজপত্র সংগ্রহ করতে হবে এবং মার্কশীট, প্রশংসাপত্র, মূল প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ডের মূল কপি সহ ফটোকপি আরও ২ কপি করে সংগে নিতে হবে। এছাড়াও শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের (উপরে উল্লেখিত) ছবি নিতে হবে। আর কলেজে ভেদে ভর্তি ফি ভিন্ন হতে পারে। তাই এটা নিজ নিজ কলেজ থেকে জেনে নিবেন। তবুও নিম্নের পয়েন্ট থেকে একটা ধারনা পেতে পারেন।

একাদশ শ্রেণির ভর্তি ফি ২০২২

ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় এমপিওভুক্ত (সরকারি) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভার্সনে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তিতে সেশন ফি ও ভর্তি ফি ৫,০০০/ টাকা। আর ঢাকা ব্যতীত মেট্রোপলিটন এলাকায় ৩,০০০/ টাকা।

জেলা এলাকায় এমপিওভুক্ত (সরকারি) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভার্সনে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তিতে ২,০০০/- টাকার বেশি নেওয়া যাবে না। আর মফস্বল/পৌর (উপজেলা) এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি সর্বসাকুল্যে ১,৫০০/ টাকা।

ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় এমপিওভুক্ত (বেসরকারি) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাংলা ভার্সনে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তিতে সেশন ফি ও ভর্তি ফি ৭,৫০০/ টাকা। আর ইংরেজি ভার্সনে ৮,৫০০ টাকা।

  • দরিদ্র, মেধাবী ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী ভর্তিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ফি যতদূর সম্ভব মওকুফ করতে বলেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
  • কোনো শিক্ষার্থীর কাছ থেকে অনুমোদিত ফির বেশি নেওয়া যাবে না উল্লেখ করে নীতিমালায় বলা হয়েছে, অনুমোদিত সকল ফি রশিদের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে।
  • তাই, একেক কলেজের ভর্তি ফি একেকরকম হতে পারে। যেজন্য যে কলেজে ভর্তি হবেন, সে কলেজের ভর্তি ফি আগে জেনে নিবেন।

আরও দেখুন

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা ২০২১-২০২২

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা ২০২১-২০২২ part 1
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা ২০২১-২০২২ part 1
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা ২০২১-২০২২ part 3
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা ২০২১-২০২২ part 4
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা ২০২১-২০২২ part 4

একাদশ শ্রেণিতে সম্পর্কিত কিছু প্রশ্নের উত্তর

প্রশ্ন -০১ঃ একাদশ শ্রেণিতে প্রাথমিক আবেদন করার পর, কলেজ পরিবর্তন করা যাবে?
উত্তরঃ হ্যা, করা যাবে।

প্রশ্ন -০২ঃ আবেদন করার পর চয়েজ তালিকা থেকে পছন্দক্রম পরিবর্তন করা যাবে?
উত্তরঃ হ্যা, আবেদন করার পর, প্রয়োজনে চয়েজ তালিকা থেকে পছন্দক্রম পরিবর্তন করতে পারবেন। এতে যেভাবেই আবেদন করেন না কেন কোনো সমস্যা নেই।

প্রশ্ন -০৩ঃ আবেদন করার পর কতবার আবেদন সংশোধন করা যাবে?
উত্তরঃ আবেদন করার পর থেকে সর্বোচ্চ পাচ (০৫) বার আবেদন সংশোধন করা যাবে এবং এই সংশোধনের শেষ তারিখ –/–/২০২০.

প্রশ্ন -০৪ঃ অনলাইন ও এসএমএস, উভয়ভাবে আবেদন করা যাবে?
উত্তরঃ  না, একজন শিক্ষার্থী শুধুমাত্র অনলাইন পদ্ধতিতে আবেদন করতে পারবে।

ভর্তির ক্ষেত্রে গ্রুপ বা শাখা নির্বাচন

সাধারণ বোর্ড : বিজ্ঞান শাখা / বিভাগের শিক্ষার্থী যেকোন বিভাগে ভর্তি হতে পারবে। মানবিক শাখা / গ্রুপের শিক্ষার্থী মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার যেকোন একটিতে ভর্তি হতে পারবে। ব্যবসায় শাখা / গ্রুপের শিক্ষার্থী ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক শাখার যেকোন একটিতে ভর্তি হতে পারবে। নিম্নে টেবিল আকারে দেখুন :-

বোর্ডবিভাগ / শাখাভর্তি যোগ্য বোর্ডভর্তি যোগ্য বিভাগ
সাধারণবিজ্ঞানসাধারণ যেকোনো বিভাগ
সাধারণমানবিকমানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা
সাধারণব্যবসায় শিক্ষা মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা

মাদরাসা বোর্ড : বিজ্ঞান শাখা / গ্রুপের শিক্ষার্থী সাধারণ শিক্ষা বোর্ড ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের যে কোন শাখায় ভর্তি হতে পারবে। মানবিক শাখা / গ্রুপের শিক্ষার্থী সাধারন শিক্ষা বোর্ডের মানবিক ও ব্যবসায় শাখায় এবং মাদরাসা বোর্ডের সাধারন ও মুজ্জাব্বিদ গ্রুপের যেকোনো একটি গ্রুপে ভর্তি হতে পারবে। মুজ্জাব্বিদ গ্রুপের শিক্ষার্থী, সাধারন শিক্ষা বোর্ডের মানবিক ও ব্যবসায় শাখায় এবং মাদরাসা বোর্ডের সাধারন ও মুজ্জাব্বিদ গ্রুপের যেকোনো একটি গ্রুপে ভর্তি হতে পারবে। দাখিল (ভোকেশনাল) গ্রুপের শিক্ষার্থী, সাধারন শিক্ষা বোর্ডের  মানবিক ও ব্যবসায় শাখায় এবং মাদরাসা বোর্ডের সাধারন ও মুজ্জাব্বিদ গ্রুপের যেকোনো একটি গ্রুপে ভর্তি হতে পারবে।

বোর্ডবিভাগ / শাখাভর্তি যোগ্য বোর্ডভর্তি যোগ্য বিভাগ
মাদ্রাসাবিজ্ঞানমাদ্রাসা / সাধারণযেকোনো বিভাগ
মাদ্রাসামানবিকমানবিক, মুজাব্বিদ (মাদ্রাসা)
ব্যবসায় (সাধারণ)
মাদ্রাসামুজাব্বিদ

কারিগরি বোর্ড : এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) গ্রুপের শিক্ষার্থী, সাধারন শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শাখায় এবং মানবিক গ্রুপের যেকোনো একটিতে  ভর্তি হতে পারবে।

প্রার্থী বা শিক্ষার্থী নির্বাচনে অনুসরণীয় পদ্ধতি

ভর্তির জন্য কোন বাছাই বা ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে না। কেবল শিক্ষার্থীর এসএসসি, আলিম বা সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে।

কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানের ৯৫% আসন সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে যা মেধার ভিত্তিতে নির্বাচন করা হবে। মেধার ভিত্তিতে ভর্তির পরে মােট আসনের ৫% মুক্তিযােদ্ধার সন্তান/সন্তানের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। উপযুক্ত কোটায় যদি প্রার্থী না পাওয়া যায় তবে এ আসন কার্যকরী থাকবে না। মুক্তিযােদ্ধার সন্তান/সন্তানের সন্তানদের সনাক্তকরণের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে প্রদত্ত সনদপত্র দাখিল করতে হবে।

যে সকল শিক্ষার্থী প্রতিবন্ধী হিসেবে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে কেবল তারাই সংশ্লিষ্ট বাের্ডে ম্যানুয়ালি ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। প্রবাসীদের সন্তান/বি.কে.এস.পি থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী/খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বিভাগীয় বা জাতীয় পর্যায়ে অসামান্য অবদানের জন্য পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য বাের্ডে ম্যানুয়ালি আবেদন করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে বাের্ড উপযুক্ত প্রমাণপত্র যাচাই বাছাই পূর্বক শিক্ষার্থীকে কাঙ্খিত প্রতিষ্ঠানে (প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নির্ধারিত ন্যূনতম জি পি এ থাকা সাপেক্ষে) ভর্তির ব্যবস্থা নিবে।



শিক্ষার্থী নির্বাচনে মেধাক্রম নির্ধারণের পদ্ধতি

সমান জিপিএ প্রাপ্তদের ক্ষেত্রে সর্বমােট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে। বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বাের্ড, কারিগরি শিক্ষা বাের্ড ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এর ক্ষেত্রে গ্রেড পয়েন্ট ও প্রাপ্ত নম্বর সমতুল্য করে হিসাব করতে হবে। তাছাড়া বিভিন্ন সালের গ্রেড পয়েন্ট ও প্রাপ্ত নম্বর সমতুল্য করে হিসাব করতে হবে।

বিজ্ঞান গ্রুপে ভর্তির ক্ষেত্রে সমান মােট নম্বর প্রাপ্তদের মেধাক্রম নির্ধারণের ক্ষেত্রে সাধারণ গণিত ও উচ্চতর গণিত/জীব বিজ্ঞানে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনতে হবে। যদি প্রার্থী বাছাইকল্পে উদ্ভূত জটিলতা নিরসন না হয়, তবে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়নে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনতে হবে।

মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপ এর ক্ষেত্রে সমান মােট নম্বর বিষয়টি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনতে হবে।

এক গ্রুপের প্রার্থী অন্য গ্রুপে ভর্তির ক্ষেত্রে জি.পি.এ একই হলে সর্বমােট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে। এক্ষেত্রে প্রার্থী বাছাই কল্পে উদ্ভূত জটিলতা নিরসন না হলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি , গণিত ও বাংলা বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনতে হবে।

এ নীতিমালায় যা কিছুই থাকুক না কেন স্কুল এন্ড কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নিজস্ব প্রতিষ্ঠান হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীগণ প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত যােগ্যতা সাপেক্ষে স্ব স্ব বিভাগে (বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা) অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভর্তির সুযােগ পাবে। প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব শিক্ষার্থীদের স্ব স্ব বিভাগে ভর্তি নিশ্চিত করেই কেবল অবশিষ্ট শূন্য আসনে প্রযােজ্য ক্ষেত্রে নিয়মানুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করানাে যাবে। তবে এ সকল প্রতিষ্ঠানের সকল ভর্তিই অনলাইনে হবে।

কলেজ / সমমানের প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন

সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বাের্ডের পূর্বানুমতি ছাড়া একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিকৃত কোন ছাত্র/ছাত্রীর ছাড়পত্র ইস্যু করা যাবে না। কিংবা বাের্ডের পূর্বানুমতি ব্যতীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ইস্যুকৃত ছাড়পত্রের বরাতে ভর্তি করা যাবে না। এক্ষেত্রে কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে এ ধরনের ভর্তিকৃত ছাত্র/ছাত্রী ভর্তির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন ফিসহ প্রয়ােজনীয় কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বাের্ডে জমা দিতে হবে।

আরও দেখুন : একাদশ শ্রেণীর কলেজ পরিবর্তন

কলেজ/সমমান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের করণীয় বর্জণীয়

কোন কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃপক্ষ ন্যূনতম যােগ্যতা নির্ধারণ করতে পারবে। কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানকে তাদের ভর্তি সংক্রান্ত সকল তথ্য ওয়েবসাইট এবং নােটিশ বাের্ডে প্রকাশ করতে হবে। 

সকল কলেজ/উচ্চমাধ্যমিক/সমমানের প্রতিষ্ঠান স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে মন্ত্রণালয় তথা শিক্ষা বাের্ড কর্তৃক ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা ও সময় অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করবে। কোন প্রতিষ্ঠান মন্ত্রণালয় ও বাের্ড নির্ধারিত তারিখের বাইরে নিজ ইচ্ছামাফিক ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না।

পাঠদানের প্রাথমিক অনুমতিবিহীন কোন কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানে কোন অবস্থাতেই ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি করা যাবে না। সকল বাের্ড এক্ষেত্রে সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করবে।

পাঠদানের প্রাথমিক অনুমতিপ্রাপ্ত অথবা স্বীকৃতিপ্রাপ্ত কোন কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানে অননুমােদিত শাখা এবং অননুমােদিত কোন বিষয়ে ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি করা যাবে না।

কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কোন অবস্থাতেই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান হতে এসএসসি, আলিম বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কোন শিক্ষার্থীর মূল একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট উক্ত শিক্ষার্থী বা তার অভিভাবক ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হস্তান্তর করা যাবে না বা অন্য কোন অজুহাতে কোন শিক্ষার্থীর একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট আটক রাখা যাবে।

শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে এই নীতিমালার কোনরূপ ব্যত্যয় ঘটানাে হলে বেসরকারি কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে পাঠদানের অনুমতি বা স্বীকৃতি বাতিলসহ কলেজটির এম.পি.ও.ভুক্তি বাতিল করা হবে এবং সরকারি কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি মােতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ছাত্র/ছাত্রী ভর্তির ক্ষেত্রে এ নীতিমালা প্রযােজ্য হবে।

70 thoughts on “একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ২০২১-২০২২ | এইচএসসি ভর্তি ২০২২”

  1. আমি বিজ্ঞান এস এস সি তে পাশ করেছি, এখন মাদ্রাসা আলিম বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হতে চাই।

  2. হ্যা, পারবেন। তবে আপনাকে আরবীতে একটু দক্ষ হতে হবে। কেননা বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হলেও আরবি একটি বিষয় থাকবে। কিন্তু এখন তো ভর্তির সময় শেষ এবং ম্যানুয়াল ভর্তি দিলে ভর্তি হতে পারবেন।

  3. বিভাগ পরিবর্তন করতে পারব কবে দয়া করে জানান প্লিজ

  4. আপনি কোন বোর্ডের তা বললে ভালো হত। কেননা সব বোর্ড একই সাথে টিসি'র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে না। তবে, অতি শীঘ আমাদের ওয়েবসাইটে একাদশ শ্রেণির কলেজ, গ্রুপ, বিষয় বা বিভাগ পরিবর্তন নিয়ে পোষ্ট করা হবে। ইন-শা-আল্লাহ!!

  5. আমি মাদরাসাই ভতি হয়েছি এখন আমি কলেজে ভতি হতে চাই এখন আমি কি টিসি নিয়ে কলেজে ভতি হতে পারব।

    1. md.mahbubur rahman

      ভাইয়া আমি প্রথমে একবার অনলাইনে আবেদন করছি। এখন আবার কলেজ নাম পরিবর্তন করে, নতুন করে আবেদন করতে পারব কি? সমাধান দিলে ভালো হত।

      1. আবার আবেদন করা লাগবে না। বরং আবেদন সংশোধন করার মাধ্যমে কলজের নাম পরিবর্তন করতে পারবে। অর্থাৎ কলেজ লিস্ট ইচ্ছাধীন পরিবর্তন করতে পারবে।

  6. সাকিব

    বিভিন্ন কলেজে এইচএসসি তে ২০২২ সালে ভর্তির আবেদনের ন্যূনতম GPA কত প্রয়োজন কিভাবে জানাবো?

    1. এ ব্যাপারে খুভ শীঘ্র ওয়েবসাইটে পোস্ট করা হবে। ইন-শা-আল্লাহ!

  7. Sabbir Ahammed

    একাদশ শ্রেনীতে ভর্তির ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা কোটার বিষয় টা বুঝিয়ে বলবেন। কোনো কলেজের মোট আসনের মধ্যে কতটি আসন মুক্তিযোদ্ধা কোটার জন্যে বরাদ্ধ থাকবে?একটু বুঝিয়ে বলবেন

    1. মুক্তিযোদ্ধা কোটার জন্য প্রত্যেক কলেজের মোট আসনের ৫% বরাদ্ধ থাকবে। যদি কোনো কলেজে ২০০ টি সিট থাকে, তাহলে ২০০ এর ৫% = ১০ টা সিট!! এভাবে যত বেশি সিট থাকবে তত বেশি সিট থাকবে আর কম থাকলে কম।

  8. সুবর্না

    আমি যে কলেজে ভর্তি হতে চেয়েছি SQ কোটাতে সেখানে আবেদনের কপি চেয়েছে। এটা কোথায় থেকে সংগ্রহ করবো?

    1. আবেদন তো এখনও শুরু হয়নি। আগামী ৮ তারিখ থেকে শুরু হবে। তাহলে কিসের আবেদন?

  9. তানজিন নূরীন

    বারইয়ার হাট ডিগ্রী কলেজ ও ছাগলনাইয়া মৌলভী শামসুল করিম কলেজে একাদশ শ্রেণির ভর্তি সর্ম্পকে জানতে চাই। ভর্তি ফি কত হবে?

    1. বারইয়ার হাট ডিগ্রি কলেজের কোনো তথ্য পাইনি। আর ছাগলনাইয়া মৌলভী শামসুল করিম কলেজের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দেখলাম। মানবিকে ২.২৫, ব্যবসায় ৩.০০ ও বিজ্ঞান বিভাগে ৩.৫০ পয়েন্টে আবেদন করা যাবে। তবে ভর্তি ফি এখন জানা যাবে না। তবে উক্ত কলেজ বেসরকারি হলে প্রায় ২-৩ হাজার বা তার বেশি টাকা লেগে যেতে পারে।

  10. Md Rafiqul Islam

    আমি ২০১৫ এসএসসি পাশ করেছি এখন কি নতুন কোন ভর্তি হওয়ার সুযোগ আছে জেনারেল লাইনে?

  11. MD.shayed ullah

    আসসালামু আলাইকুম ভাই! আমি এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছি 2017 সালে আমি উন্মুক্ততে কিভাবে ভর্তি হতে পারি জানালে উপকৃত হব

    1. ওয়ালাইকুমুস সালাম। অনলাইন ও ম্যানুয়ালি উভয়ভাবে ভর্তি হওয়া যায়। ম্যানুয়ালি ভর্তি হতে চাইলে সরাসরি টাকা-পয়সা ও কাগজ-পত্র নিয়ে যেতে হবে।

  12. Sohel Chakma

    এক বিষয় যারা ফেইল করছে তারা কি আবেদন করতে পারবে?

  13. মোঃ এমদাদুল হক

    আমি ২০০২ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় ফেল করেছি এখন কি আবার ভর্তি হতে পারবো জানাবেন প্লিজ

    1. দুঃখিত! আপনি জেনারেল লাইনে এইচএসসিতে ভর্তি হতে পারবেন না। তবে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এইচএসসিতে ভর্তি হতে পারবেন।

  14. আরমান আকাশ

    আসসালামু আলাইকুম। স্যার আমি আমার ভাইয়ের জন্য একাদশ শ্রেনীতে ভর্তির আবেদন করেছি কিন্তু মোবাইলে পিন কোড জানিয়ে কোন এসএমএস পাইনি। এখন আমি কিভাবে শিওর হত যে আবেদন সফল হয়েছে।আর এখন আমি কি করতে পারি? জানালে উপক্রিত হব স্যার।

    1. ওয়ালাইকুমুস সালাম। আপনার হয়ত মোবাইল নম্বরে কোথাও ভুল হয়েছে। সে জন্য পিন আসেনি। আপনি হেল্প লাইনে ফোন দিন। হেল্প লাইনের নাম্বার পেতে আবেদন করার লিংকে যান।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!