প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০২১ । বিস্তারিত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শূন্য পদ পূরণে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২০ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। গত ১৮ নবেম্ভর উক্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। জানা গেছে এবার প্রায় সাড়ে ৩২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নিয়োগ শাখার সহকারী পরিচালক আতিক সাত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্বখাতভুক্ত ‘সহকারী শিক্ষক’ এর শূন্যপদ এবং জাতীয়করণ করা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পিডিইপি-৪ এর আওতায় প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির জন্য রাজস্বখাতে সৃষ্ট ‘সহকারী শিক্ষক’ পদে জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫ এর ১৩তম গ্রেডে অস্থায়ীভাবে নিয়োগ করা হবে।

প্রাথমিক (প্রাইমারি) শিক্ষক নিয়োগ ২০২১ ; যোগ্যতা, আবেদন, পদ্ধতি

সুপ্রিয় বন্ধুরা! এডু মাসাইল এর এই পোষ্ট হতে আপনি জানতে পারবেন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ যোগ্যতা, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ আবেদনের নিয়ম, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা পদ্ধতি, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার মানবন্টন, প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস, প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার গাইড pdf, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতি, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ, প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ ফলাফল এবং প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার পাস নম্বর ইত্যাদি। চলুন নিম্নে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগে যোগ্যতা, আবেদন পদ্ধতি, আবেদন করতে যেসব কাগজপত্র লাগবে বিস্তারিত জেনে নেই।

প্রাইমারি পরীক্ষার আপডেট ২০২১

১৯-০৩-২০২১ :  ২০২১ সালে অনুষ্ঠিতব্য ২০২০ সালের প্রাইমারি পরীক্ষার কোনো রুটিন প্রকাশিত হয় নি। সোশ্যাল যোগাযোগ মাধ্যমে যেটা ছড়িয়েছে তা সম্পূর্ণ ভুয়া। রুটিন প্রকাশিত হলেই এ সাইটে জানিয়ে দেয়া হবে। সুতরাং এডু মাসাইলের সাথে থাকুন। 

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ যোগ্যতা 2021

  • শিক্ষাগত যোগ্যতা :  প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে নারী ও পুরুষ উভয়ের যোগ্যতা হতে হবে কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএ সহ স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রী। তবে তিন পার্বত্য জেলা তথা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের প্রার্থীরা এতে আবেদন করতে পারবেন না।
  • বয়সসীমা : প্রার্থীদের বয়স ২০ অক্টোবর ২০২০ তারিখ পর্যন্ত সর্বনিম্ন ২১ বছর এবং ২৫ মার্চ ২০২০ তারিখ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৩০ বছর হতে হবে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে এ বয়সসীমা হবে ৩২ বছর। বয়স নিরুপণে এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়।
বিবরণপরিমাণ
আবেদনের শেষ সময়২৪/১১/২০২০ রাত ১১:৫৯ মিনিট
বেতন স্কেল১১,০০০ – ২৬,৫৯০ পর্যন্ত
আবেদন ফি১১০ টাকা (চার্জ সহ)
পদের সংখ্যা২৫৬৩০+৬৯৪৭ = ৩২,৫৭৭

অনলাইনে আবেদন করার পর টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইল নম্বর হতে SMS এর মাধ্যমে ১১০ টাকা পরিশোধ করতে হবে। তন্মধ্যে টেলিটকের সার্ভিস চার্জ ১০ টাকা।ডিপিএ সুত্রে জানা গেছে এবারের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সারাদেশে ২৫ হাজার ৬৩০ জন প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষক এবং ৬ হাজার ৯৪৭ শূন্যপদে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। বেতন স্কেল : ১১,০০০ থেকে ২৬,৫৯০ পর্যন্ত। (১৩তম গ্রেড) আবেদনের সময়সীমা : ২৫ অক্টোবর ২০২০ তারিখ সকাল ১০:৩০ হতে ২৪ নভেম্বর ২০২০ তারিখ রাত ১১:৫৯ মিনিট পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ আবেদনের নিয়ম ২০২০

নিচে দেওয়া আবেদন করার লিংকে ক্লিক করে ‘Application Form’ অপশন থেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রার্থীকে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। ‘Application Form’ অপশনে ক্লিক করে যে পেইজ আসবে, সেই পেইজে Assistant Teacher Post সিলেক্ট করে Next বাটনে ক্লিক করে ‘ভেরিফিকেশন’ পেইজে দৃশ্যমান নির্দেশনা অনুযায়ী তথ্য দিবেন। প্রার্থীর প্রযােজ্য তথ্য দিয়ে সাবমিট বাটনে ক্লিক করলে যােগ্য প্রার্থীগণ আবেদন করার জন্য Application Form পাবেন।

আবেদন করার লিংক :   http://dpe.teletalk.com.bd

আবেদনে যেসব কাগজপত্র লাগবে

আবেদনকারীর (১) এসএসসি / সমমান, এইচএসসি / সমমান, উচ্চ ডিগ্রী সম্পর্কিত তথ্যবলী। (২) প্রার্থীর ছবি পাসপোর্ট সাইজ (300 x 300 Pixel) ও (৩) স্বাক্ষর সাইজ (300 x 80 Pixel) হতে হবে এবং প্রার্থীর ছবি রঙ্গিন (কালার ফটো) হওয়া আবশ্যক।

 Application Form- এ প্রার্থীর কিছু তথ্য আগে থেকেই পূরণকৃত থাকবে যা পরিবর্তন যােগ্য না। এছাড়া অন্যান্য তথ্য প্রার্থী নিজেই পূরণ করবেন। প্রার্থীর বয়স ও শিক্ষাগত যােগ্যতা সহ অন্যান্য তথ্য থাকলে Application Form সাবমিট করে প্রিভিউ দেখতে পারবেন। প্রার্থীর প্রদত্ত তথ্য প্রিভিউ পেজ – এ ভুল অথবা অপর্যাপ্ত পরিলক্ষিত হলে সঠিক তথ্য দিয়ে পুনরায় নতুন আরেকটি Application Form পূরণ করবেন। পূরণকৃত Application Form সাবমিট করে প্রার্থী তা ডাউনলােড করে সংরক্ষণ করতে পারবেন। প্রার্থীর ডাউনলােডকৃত Applicant’s Copy  তে একটি ইউজার আইডি সরবরাহ করা হবে এবং আবেদনের জন্য ফি জমা প্রদানের প্রয়ােজনীয় নির্দেশনা থাকবে।

আবেদন ফরম পূরণের নিয়ম (সংক্ষেপ)

(১) প্রার্থীর শিক্ষাগত যােগ্যতার ভেরিফিকেশন। (২) সঠিক যােগ্যতা সম্পন্ন প্রার্থী Application Form পাবেন। (৩) Application Form -এ প্রয়ােজনীয় তথ্য পূরণ করে সাবমিট করলে পূরণকৃত তথ্যের প্রিভিউ দেখা যাবে। (৪) প্রিভিউ দেখে সঠিক মনে হলে ফরমটি পরবর্তী ধাপে সাবমিট করলে ইউজার আইডি ও আবেদন ফি প্রদানের নির্দেশনাসহ একটি Applicant’s Copy পাওয়া যাবে। (৫) আবেদন ফি জমা দেয়ার পর প্রার্থীর আবেদনপত্র চূড়ান্তভাবে গৃহীত হবে এবং আবেদনে আর কোন তথ্য সংশােধন, সংযোজন, পরিমার্জন বা একই প্রার্থীর নতুনভাবে Application Form পূরণের সুযােগ থাকবে না। তাই আবেদন ফি প্রদানের পূর্বে আপনার আবেদন ফরমটি ভালোভাবে দেখুন নির্ভুল ও সঠিক তথ্য দেওয়া কি না।

আবেদন ফি প্রদান ও পরবর্তী করণীয়

  • নির্ভুলভাবে পূরণকৃত Application Form -এ উল্লেখিত ইউজার আইডি ব্যবহার করে পরবর্তী ৭২ ঘন্টার মধ্যে টেলিটক প্রি-প্রেইড মােবাইল নম্বর হতে SMS -এর মাধ্যমে অফেরতযােগ্য ১০০ টাকা আবেদন ফি এবং টেলিটকের সার্ভিস চার্জ ১০ টাকাসহ একত্রে মােট ১১০ টাকা পরিশােধ করতে হবে। 
  • ফি জমা দিতে টেলিটকের প্রি-পেইড নাম্বার থেকে এসএমএস করুন। নিম্নে ফি প্রদানের নিয়ম দেখুন :
  • ১ম SMS : DPER <space> user ID & send to 16222
  • তারপর ফিরতি এসএমএসে একটি পিন নম্বর থাকবে। এখন আবার নিম্নোক্তভাবে SMS করুন।
  • ২য় SMS : DPER <space> yes <space> PIN & send to 16222
  • ফি প্রদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে প্রার্থীর Application Form -এ প্রদত্ত মােবাইল নাম্বারে একটি কনফার্মেশন এসএমএস পাবে।

আবেদন ফি পরিশােধের পরে আবেদনে প্রদত্ত মােবাইল নম্বরে SMS -এর মাধ্যমে আবেদনকারীকে User ID সহ একটি Password দেয়া হবে। এরপরে http : //dpe teletalk.com.bd ওয়েবসাইটের “Download Applicant’s Copy” ট্যাবে ক্লিক করে মােবাইলে প্রাপ্ত User ID ও Password সাবমিট (Submit) করে Paid স্ট্যাটাস সম্পন্ন Final Applicant’s Copy পাওয়া যাবে, যা প্রিন্ট করে নিয়ােগ প্রক্রিয়ার শেষাবধি আবশ্যিকভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।

Application ফি জমা ও অন -লাইনে চেক

প্রার্থী নিজের ইউজার আইডি http://dpe teletalk.com.bd ওয়েবসাইটের পেমেন্ট অপশন -এ সাবমিট করলে প্রার্থীর প্রয়ােজনীয় তথ্যসহ পেমেন্ট তথ্যাবলী দেখতে পারবেন।

আবেদন ফরম পূরণে সতর্কতা

প্রার্থীর বাছাই কার্যক্রম উপজেলা ভিত্তিক হবে। স্থায়ী ঠিকানায় উল্লিখিত উপজেলা অনুযায়ী মুল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। Application Form পূরণে স্থায়ী ঠিকানার জেলা ও উপজেলা / থানা সর্তকতার সাথে নির্বাচন করতে হবে। নিয়ােগ প্রক্রিয়ার পরবর্তী পর্যায়ে স্থায়ী ঠিকানার স্বপক্ষে গ্রহণযােগ্য প্রমান দাখিল করতে হবে। বিবাহিত নারী প্রাথী নিজের অথবা স্বামীর স্থায়ী ঠিকানায় আবেদন করতে পারবেন।

বিশেষ সতর্কতা : শেষ দিনের জন্য অপেক্ষা না করে আজই আবেদনপত্র পূরণ সম্পন্ন করুন। শেষ দিনে প্রার্থীর স্থানীয় ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ এর সীমাবদ্ধতার কারণে আবেদন ফরম পূরণে সমস্যা দেখা দিতে পারে , তাই যথেষ্ট সময় হাতে রেখে আবেদন ফরম পূরণ করে দাখিল করুন।

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ আবেদনে ভুল হলে করণীয় ২০২০

২০২০ সালের প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ আবেদনে কোনো ভুল হলে তা সংশোধন করার সুযোগ পাবেন আবেদনকারীরা। তবে ২৮ নভেম্বর দুপুর ০২:০০ টা থেকে ২২ ডিসেম্বর, রাত ১১:৫৯ মিনিট পর্যন্ত আবেদনকারীরা এই সুযোগ পাবেন। আবেদন সংশোধন করার জন্য Edit Request অপশনে ক্লিক করে User ID ও Pass দিয়ে নির্দেশনামত তথ্য দিয়ে আবেদন সংশোধন করতে পারবেন। নিম্নে প্রাইমারি আবেদন সংশোধনের নিয়মাবলি দেওয়া হলো : আবেদন সংশোধন করুন এখান থেকে

প্রথম ধাপ : আবেদন ফি জমা দেয়ার পর যেসব প্রার্থীগণ আবেদন সংশােধনের প্রয়ােজনীয়তা মনে করছেন শুধুমাত্র সেসকল প্রার্থীগণই উল্লিখিত তারিখের মধ্যে নিজ নিজ ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে তথ্য সংশােধন ও হালনাগাদ করার জন্য আবেদন করবেন। গৃহীত আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রার্থীর মােবাইল নাম্বারে এসএমএস এর মাধ্যমে তথ্য সংশােধন সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রেরণ করা হবে। আবেদনের সময় প্রার্থী তার সংশােধনের ক্যাটাগরী উল্লেখ করতে পারবেন। ক্যাটাগরীতে প্রার্থীর ব্যক্তিগত, শিক্ষাগত ও উভয় বিষয়ে সংশােধন ক্যাটাগরী উল্লেখ থাকবে।

দ্বিতীয় ধাপ 

  1. সংশােধনের জন্য প্রার্থীর মােবাইল নাম্বারে এসএমএস নােটিশ প্রেরণের পরপরই নিজ নিজ ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করলে ফরমটি সংশােধনের জন্য উন্মুক্ত (Open) রাখা হবে।
  2. সংশােধনের জন্য আবেদন পত্রে প্রদান করা প্রার্থীর মােবাইল নাম্বারে একটি Access ID প্রেরণ করা হবে। নির্দেশনা মােতাবেক Access ID ফরমে Insert করলে সংশােধনের জন্য ফরমটি দৃশ্যমান হবে।
  3. প্রার্থীর শিক্ষাগত তথ্য (এসএসসি ও এইচএসসি) বিষয়ে প্রার্থীর সংশােধনের প্রয়ােজন নাই। এসএসসি ও এইচএসসি বিষয়ের তথ্য (শিক্ষাবাের্ড কর্তৃক সংশােধিত হয়ে থাকলে)স্বয়ংক্রিয়ভাবে হালনাগাদ দেখতে পাবেন।
  4. প্রার্থীর ব্যক্তিগত তথ্য এবং অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ের তথ্য প্রার্থী নিজেই সংশােধন (প্রয়ােজন অনুযায়ী) করতে পারবেন।
  5. সংশােধন কার্যক্রম নিজে দেখে সঠিক মনে হলে ফরমটি সাবমিট করে দিবেন এবং সাথে সাথে সংশােধিত Applicant’s Copy দেখতে পাবেন। সর্বশেষ অর্থাৎ সংশােধিত Applicant’s Copy পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য সংরক্ষণ করবেন. 
  6. উক্ত প্রক্রিয়া অনুসণ করে প্রার্থীর নিজ নিজ তথ্য সর্বোচ্চ ৩ (তিন) বার সংশােধনের সুযােগ পাবেন।
  7. জাতীয় শিক্ষাবাের্ডের আওতা বহির্ভূত প্রার্থীগণও তাদের প্রয়ােজনীয় তথ্য একই নিয়ম অনুসরণ করে সংশােধন করতে পারবেন।

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা পদ্ধতি ২০২১

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের নির্বাচন পদ্ধতি হবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে। লিখিত পরীক্ষা হবে এমসিকিউ (mcq) পদ্ধতিতে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষায় আহবান করা হবে। লিখিত পরীক্ষার বিষয় সমূহ হচ্ছে বাংলা, গণিত, ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞান। প্রতিটি বিষয় থেকে ২০ টি করে সর্বমোট ৮০ টি নৈর্ব্যত্তিক (mcq) প্রশ্ন থাকবে। তবে এবারে নিয়োগে কত নম্বরের পরীক্ষা হবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত হয়নি। পরীক্ষা পদ্ধতি ও পরীক্ষার তারিখ পরবর্তীতে জানিয়ে দিয়ে দিবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।যাইহোক এখন আমরা বিগত বছরের পরীক্ষার আলোকে জেনে নেই ‘প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক নিয়োগ’ পরীক্ষার সিলেবাস ও মানবন্টন।

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার মানবন্টন

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা সর্বমোট ১০০ নম্বরের উপর হবে। তন্মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় থাকবে ৮০ নম্বর এবং মৌখিক পরীক্ষায় থাকবে ২০ নম্বর। লিখিত ৮০ নম্বরের পরীক্ষায় প্রতি বিষয়ের জন্য ২০ নম্বর বরাদ্ধ এবং মৌখিক পরীক্ষায় উপস্থিতি, স্মার্টনেস, প্রশ্নের উত্তর এবং এসএসসি ও এইচএসসি ফয়ালফলের উপর পৃথকভাবে ৫ নম্বর থাকবে। উল্লেখ্য, প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে অর্থাৎ চারটা ভুল হলে মোট মার্ক হতে এক নম্বর কাটা যাবে। আর আপনি যদি ৮০ নম্বরের মধ্যে ৭০ নম্বরের উপরে পান, তাহলে আপনার চাকরী হওয়ার প্রায় সম্ভাবনা থাকবে। তাই প্রতিটি বিষয় ভালোভাবে পড়তে হবে। নিম্নে সকল বিষয়ের সিলেবাস দেখুন।

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা মূলত চারটি বিষয়ের উপর হবে। সেগুলো হচ্ছে বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান। আপনি যদি সত্যিকারে চাকরি পেতে চান তাহলে কোনো অবহেলা করা যাবে না। কেননা আপনাকে লক্ষ্য লক্ষ্য প্রার্থীর সাথে প্রতিযোগিতা করতে হবে। শুধু তাই নয় চাকরীর সাথে আপনার জীবন ও উজ্বল ভবিষ্যৎ নিহিত। যাইহোক চলুন জেনে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পরীক্ষার সিলেবাস সম্বন্ধ্যে জেনে নেই:

বাংলা :  বাংলা সাহিত্য থেকে বাংলা ব্যাকরণে বেশি সময় দিতে হবে। সে জন্য নবম-দশম শ্রেণির বোর্ড প্রণিত বাংলা ব্যাকরণ বইয়ের সব অধ্যায় উদাহরণ সহ পড়ে নিলে হবে। ভাষা, বর্ণ, শব্দ, পদ, সন্ধি বিচ্ছেদ, ধাতু,  সমাস, বিভক্তি, উপসর্গ, অনুসর্গ, বানান শুদ্ধি, সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ, পারিভাষিক শব্দ, এক কথায় প্রকাশ ও বাগধারা অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আর, বাংলা সাহিত্য অংশে গদ্য বা পদ্যের রচয়িতার জীবনী এবং তাদের কবিতা উল্লেখ করেও প্রশ্ন আসতে পারে। পিএসসি নির্ধারিত ১১ জন বাংলা সাহিত্যিকদের জীবনী ও কর্ম পড়ে নিলে এই বিষয়ে প্রায় সম্পূর্ণ প্রস্তুতি হয়ে যাবে। 

ইংরেজি :  ইংরেজি বিষয়েও বাংলার মত ইংরেজি গ্রামারের প্রতি সময় দিতে হবে। সে ক্ষেত্রেও নবম-দশম শ্রেণির ইংলিশ গ্রামার বইয়ের সব অধ্যায় উদাহরণ সহ পড়ে নিলে হবে। Article, Preposition, Parts of Speech, Verb, Tense, Narration, Right form of verbs, Voice, Spelling, Sentence Correction, Translation, Synonym, Antonym এবং Phrase and Idioms অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এরপর ইংরেজি সাহিত্যের বিখ্যাত কবিদের সম্বন্ধ্যে কিছু ধারনা রাখতে হবে।

গণিত :  এই বিষয়ে মার্ক তুলা অনেক সহজ আবার কঠিনও। তাই সহজে অংকের সমাধান বের করার শর্টকার্ট টেকনিক জানতে হবে। আর পাশাপাশি পাঠিগণিতের সংখ্যা, ঐকিক নিয়ম, লাভ-ক্ষতি, মুনাফা, শতকরা ও পরিমাপ ও একক এবং বীজগণিতের বর্গ, ঘন, যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ শিখা সহ সুত্রাবলী মুখস্থ করতে হবে। আর জ্যামিতি থেকে ত্রিভুজ, রম্বস, আয়াত, বর্গ, চতুর্ভুজ ও বৃত্ত ইত্যাদি সম্বন্ধ্যে ভালো জ্ঞান ধারনা থাকতে হবে।

সাধারণ জ্ঞান :  এই অংশ বাংলাদেশ বিষয়াবলী থেকে বেশি প্রশ্ন আসে। তাই বাংলাদেশের ইতিহাস, শিক্ষা, অর্থনীতি, রাজনীতি, সভ্যতা ও সংস্কৃতি, ভূগোল ও আবহাওয়া জলবায়ু এবং বাংলাদেশের ঐহাসিক দিন ও ঘটনাবলী সম্বন্ধ্যে জ্ঞান রাখতে হবে। আর, আন্তর্জাতিক অংশে বিভিন্ন সংস্থা, মুদ্রা, রাজধানী, স্থান, দিবস, ঘটনা ও খেলাধুলা থেকে প্রশ্ন এসে থাকে। এবং বিজ্ঞান থেকে সাধারন রোগব্যাধি, খাদ্য, পুষ্টি ও ভিটামিন থেকে প্রশ্ন আসতে পারে।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার গাইড pdf ডাউনলোড

বাজারে বিভিন্ন ধরণের চাকরী পরীক্ষার গাইড পাওয়া যায়। যেমন : জব সলুশন, MP3 গাইড, বিসিএস প্রিলিমিনারি, প্রফেসর’স গাইড সহ আরও বিভিন্ন ধরণের গাইড পাওয়া যায়। তন্মধ্যে আমি আপনাদের পরামর্শ দিব ‘প্রফেসর’স’ এর নিম্নোক্ত ‘প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ সহায়িকা’ গাইডটি পড়ার জন্য। এটি প্রাথমিক নিয়োগ পরীক্ষার উপর ভিত্তি করে সাজানো হয়েছে। এখানে সকল বিষয়ের তথ্যের পাশাপাশি প্রাইমারি নিয়োগের বিগত বছরের প্রশ্ন ও মডেল টেষ্ট সংযুক্ত আছে। নিচের লিংক থেকে বইটি ডাউনলোড করে নিন। উক্ত বইয়ের দুটি অংশ রয়েছে এবং পিডিএফ ফাইল ওপেন করার সময় পাসওয়ার্ড দিবেন – Hridoy

PDF Part 1

PDF Part 2

প্রাইমারি নিয়োগ পরীক্ষার বিষয় ভিত্তিক বইয়ের pdf

বাংলা ব্যাকরণ : বাংলা ব্যাকরণ থেকে প্রায় ১৬-১৯ মার্ক প্রতি প্রাইমারি নিয়োগ পরীক্ষায় আসে, তাই এটি ভালো করে সিলেবাস অনুযায়ী পড়তে হবে। আর এ জন্য নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা ভাষার ব্যাকরণ’ মূল বইটি ্ভালো করে পড়লে ইন-শা-আল্লাহ! সম্পূর্ণ প্রস্তুতি হয়ে যাবে। ফাইল সাইয : 21.1 mb বাংলা ব্যাকরণ ডাউনলোড pdf

ইংরেজি ব্যাকরণ : ইংরেজি ব্যাকরণ থেকে প্রায় ১৫-১৮ মার্ক প্রতি প্রাইমারি নিয়োগ পরীক্ষায় আসে, তাই এটি ভালো করে সিলেবাস অনুযায়ী পড়তে হবে। আর এ জন্য “English For Competitive Exam” বইটি ্ভালো করে পড়লে ইন-শা-আল্লাহ! সম্পূর্ণ প্রস্তুতি হয়ে যাবে। ফাইল সাইয : 42 mb English for Competitive Exam pdf download

গণিত : গণিত বিষয়ে মার্ক তুলা অনেকটা কঠিন এবং সময়সাধ্য। তবে শর্টকাট টেকনিক জানলে উক্ত বিষয়ে কম সময়ে ও সহজে মার্ক তুলা যায়। আর তাই আমি আপনাদেরকে পরামর্শ দিব ‘খায়রুল’স বেসিক ম্যাথ’ ভালোভাবে পড়ার জন্য। এতে দুইটি লাভ হবে গণিতের সব সমাধান যেমন পাবেন তেমনি শর্টকাট টেকনিকও। তাহলে আর দেরি কেন? ফাইল সাইয : 149 mb Khairuls Basic Math PDF download

বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়য়াবলি :  খুভ শীঘ্র দেওয়া হবে।      

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার বিগত সালের প্রশ্ন

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ অন্যতম প্রস্তুতি হচ্ছে বিগত সালের প্রশ্নাবলির সমাধান করা বা পড়া। আর তাই আমি আপনাদের জন্য একটি পিডিএফ ফাইল দিব, যেখানে দু-এক সাল ব্যতীত ২০০৬ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নাবলি উত্তর সংকেত সহ দেওয়া আছে। যেমন :    ‘প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা’ এর ২০১৩ থেকে ২০১৬ সালের প্রশ্নাবলি, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা’ এর ২০১২ সালের প্রশ্নাবলি (৩টি), ‘সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক পরীক্ষা’ এর ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত, ‘বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন পরীক্ষা’ এর স্কুল পর্যায় ১ ও ২ সহ ২০১৪ থেকে ২০১৭ সালের প্রশ্নাবলি এবং ‘প্রভাষক নিবন্ধন পরীক্ষা’ এর ২০১৪ থেকে ২০১৭ সালের প্রশ্নাবলি। উক্ত পিডিএফ ফাইলটি্র সাইয প্রায় ৯১ মেগাবাইট (mb) এবং পৃষ্টা ১০৯. যাইহোক বিগত সালের প্রাইমারি প্রশ্নাবলির উত্তর সহ পিডিএফ ফাইলটি ডাউনলোড (primary question solution pdf download) নিম্নের লিংক থেকে :    primary question bank pdf download

প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ ২০২০ প্রবেশপত্র ডাউনলোড

লিখিত পরীক্ষার ব্যবস্থাদি চূড়ান্ত করার পর প্রত্যেক যােগ্য আবেদনকারীকে SMS -এর মাধ্যমে প্রবেশপত্র ডাউনলােডের লিংক প্রদান করা হবে, যা ব্যবহার করে আবেদনকারী পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলােড করতে পারবেন। User ID এবং Password পুনরুদ্ধারের প্রয়ােজন হলে বা ভুলে গেলে উক্ত লিংকে প্রার্থীর ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে পুনরুদ্ধার করা যাবে।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ২০২০

লিখিত পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত / মনােনীত প্রার্থীকে নিম্নবর্ণিত সত্যায়নকৃত কাগজপত্রাদি সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে (অথবা এসএমএস – এর মাধ্যমে নির্দেশিত হলে অনলাইনে) দাখিল করতে হবেঃ

(ক) অনলাইনে দাখিলকৃত আবেদনের ফটোকপি এবং পাসপাের্ট সাইজের ২ কপি ছবি।

(খ) শিক্ষাগত যােগ্যতা সম্পর্কিত সকল প্রকার মূল / সাময়িক সনদপত্র।

(গ) সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান / পৌরসভার মেয়র / সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত নাগরিক সনদপত্র।

(ঘ) জাতীয় পরিচয়পত্র / জন্ম নিবন্ধনের কপি।

(ঙ) পােষ্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপজেলা / থানা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক (২৫ অক্টোবর ২০২০ তারিখের পূর্বে স্বাক্ষরিত নয়) প্রদত্ত পােষ্য সনদপত্র।

(চ) লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি।

(ছ) প্রার্থীর সনদপত্র ও ছবি সত্যায়নকারী কর্মকর্তার (৯ম বা তদুর্ধ্ব গ্রেডের গেজেটেড কর্মকর্তা) স্বাক্ষরের নীচে নামসহ সীল থাকতে হবে।

(জ) সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বৎসর প্রমাণের ক্ষেত্রে : ( I ) মুক্তিযােদ্ধার সন্তান প্রার্থীদের জন্য সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুসারে মুক্তিযােদ্ধার প্রয়ােজনীয় সনদ ও কাগজপত্র এবং ( II ) শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের অনুকূলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ শর্তাবলী ২০২০

০১ – আবেদনকারী যে উপজেলা / থানার স্থায়ী বাসিন্দা তার প্রার্থিতা উক্ত উপজেলা / থানার অনুকূলে নির্ধারিত থাকবে এবং তার নিয়ােগ সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম তদনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত হবে। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়ােগ বিধিমালা, ২০১৯ -এ বর্ণিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী নির্বাচিত প্রার্থীকে নিজ উপজেলা / থানায় নিয়ােগ দেয়া হবে।

০২ – সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়ােগ বিধিমালা, ২০১৯ অনুযায়ী মেধাক্রমানুসারে নির্বাচিত প্রার্থীদের দ্বারা প্রথমে (উপজেলা / থানাভিত্তিক) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্বখাতভুক্ত সহকারী শিক্ষক এর শূন্য পদসমূহ পূরণ করা হবে। মেধা তালিকার অবশিষ্ট প্রার্থী দ্বারা জাতীয়করণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক – প্রাথমিক শ্রেণির জন্য রাজস্বখাতে সৃষ্ট ‘ সহকারী শিক্ষক এর পদসমূহ পূরণ করা হবে।

০৩ – বিবাহিত মহিলা প্রার্থীগণ আবেদনে তাদের স্বামী অথবা পিতার স্থায়ী ঠিকানায় আবেদন করতে পারবেন। তবে এ দু’টি স্থায়ী ঠিকানার মধ্যে তিনি যেটি আবেদনে উল্লেখ করবেন তার প্রার্থিতা সেই উপজেলা / থানার কোটায় বিবেচিত হবে।

০৪ – অসত্য / ভুয়া তথ্য সংবলিত / ত্রুটিপূর্ণ / অসম্পূর্ণ আবেদনপত্র কোন কারণ দর্শানাে ব্যতিরেকে বাতিল বলে গণ্য হবে। প্রার্থী কর্তৃক দাখিলকৃত / প্রদত্ত কোন তথ্য বা কাগজপত্র নিয়ােগ কার্যক্রম চলাকালে যে কোনাে পর্যায়ে বা নিয়ােগপ্রাপ্তির পরেও অসত্য / ভুয়া প্রমাণিত হলে তার দরখাস্ত / নির্বাচন / নিয়ােগ বাতিল করা হবে এবং মিথ্যা / ভুয়া তথ্য সরবরাহ করার জন্য তার বিরুদ্ধে আইনগত / প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাছাড়া আবেদনে নিজ জেলা, থানা / উপজেলা ভূল করলে তার প্রার্থিতা বাতিল বলে গণ্য হবে।

০৫ – আবেদনপত্রে পােষ্য কোটা উল্লেখ না করলে মৌখিক পরীক্ষার সময় পােষ্য কোটার স্বপক্ষে সনদ দাখিল করলেও তাকে পােষ্য কোটায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে না। অথবা আবেদনপত্রে পােষ্য কোটা দাবী করা সত্বেও পােষ্য কোটার স্বপক্ষে প্রয়ােজনীয় প্রমাণাদি দাখিল করতে ব্যর্থ হলে তার প্রার্থিতা বাতিল বলে গণ্য হবে।

০৬ – সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়ােগ বিধিমালা, ২০১৯ -এর ব্যাখ্যা অনুযায়ী “পােষ্য” অর্থ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়ােজিত আছেন বা ছিলেন এমন শিক্ষকের অবিবাহিত সন্তান, যিনি উক্ত শিক্ষকের উপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল আছেন বা তিনি জীবিত থাকলে বা চাকরিতে থাকলে সম্পূর্ণরুপে নির্ভরশীল থাকতেন এবং উক্ত শিক্ষকের বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী বা তালাকপ্রাপ্ত কন্যা যিনি উক্ত শিক্ষকের উপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল ছিলেন বা , ক্ষেত্রমত , তিনি জীবিত থাকলে অনুরূপভাবে নির্ভরশীল থাকতেন। মৌখিক পরীক্ষার সময় পােষ্য প্রার্থীদেরকে ২৫ অক্টোবর ২০১০ তারিখ পর্যন্ত তিনি পােষ্য ছিলেন মর্মে সংশ্লিষ্ট উপজেলা / থানা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক প্রদত্ত সনদ দাখিল করতে হবে। কোন প্রার্থী উল্লিখিত সনদ দাখিল করতে ব্যর্থ হলে তার প্রার্থিতা বাতিল বলে গণ্য হবে।

০৭ – লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কোনাে প্রকার টিএ / ডিএ প্রদান করা হবে না।

০৮ – আবেদনপত্রে পুরুষ প্রার্থী মহিলা কিংবা মহিলা প্রার্থী পুরুষ উল্লেখ করলে তার প্রার্থিতা বাতিল বলে গণ্য হবে।

০৯ – এ নিয়ােগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কারণে কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা গ্রহণ কিংবা প্রাথিত পদে নিয়ােগ প্রদান করতে বাধ্য থাকবে না। কর্তৃপক্ষ এ বিজ্ঞপ্তি বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করেন।

Online- এ আবেদন দাখিলের বিষয়ে সহযােগিতার প্রয়ােজন হলে vas.query@teletalk.com.bd ই-মেইল ঠিকানায় অথবা যেকোন টেলিটক নম্বর হতে টেলিটকের কাস্টমার কেয়ার 121 নম্বরে যােগাযােগ করা যাবে। এছাড়া http://dpe.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটের Help ট্যাবে টেলিটকের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের ঠিকানা পাওয়া যাবে।

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২১ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-উত্তর

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (নিয়োগ শাখা) আতিক এস বি সাত্তার ২০২০ সালের প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা কবে হবে বা কোন পদ্ধতিতে হবে সেই সব বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন। আজ শনিবার (২৪ অক্টোবর, ২০২০) কালের কণ্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা যায়। চলুন জেনে নেই :

প্রশ্ন – ০১ : প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা কোন পদ্ধতিতে হবে? কোন অংশে কত নম্বর?

উত্তর : লাখ লাখ পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নেবেন। বেশিসংখ্যক পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা লিখিত আকারে নেওয়াটা বেশ জটিল। সে কারণে এমসিকিউ পদ্ধতিতেই পরীক্ষা হবে। এমসিকিউতে ৮০ নম্বর। এমসিকিউতে যাঁরা পাস করবেন, তাঁদের মৌখিক পরীক্ষায় (২০ নম্বর) অংশ নিতে হবে।

প্রশ্ন – ০২ : পরীক্ষা কয় মাস পর হওয়ার সম্ভাবনা? নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ করতে কেমন সময় লাগতে পারে?

উত্তর :আমাদের প্রস্তুতি হচ্ছে মাস তিনেকের মধ্যেই পরীক্ষা নেওয়ার। আর পুরো নিয়োগপ্রক্রিয়া আগামী অর্থবছরের আগে অর্থাৎ জুন মাসের মধ্যে শেষ করাই আমাদের লক্ষ্য। পরবর্তী প্রেক্ষাপট বা পরিস্থিতির কারণে এর হেরফের হতে পারে।

প্রশ্ন – ০৩ :  পরীক্ষা কী উপজেলাভিত্তিক হবে? মানে একেক উপজেলায় একেক সময়?

উত্তর : পরীক্ষা অবশ্যই উপজেলাভিত্তিক হবে। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে নিতে গেলে এটাই সবচেয়ে ভালো উপায়। 

প্রশ্ন – ০৪ : এবারের (২০২০) নিয়োগের কোটা সম্পর্কে বলুন—

উত্তর : এবারের নিয়োগে ৬০ শতাংশ নারী কোটা, ২০ শতাংশ পুরুষ কোটা এবং ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিষয়ে ডিগ্রিধারীদের জন্য ২০ শতাংশ কোটা অন্তর্ভুক্ত রাখা হয়েছে। অর্থাৎ বিজ্ঞান বিষয়ে ডিগ্রিধারীদের জন্য ২০ শতাংশ কোটার ১২ শতাংশ নারী কোটায় (অর্থাৎ ৬০ শতাংশ নারী কোটার মধ্যে এই ১২ শতাংশ বিজ্ঞান কোটাও অন্তর্ভুক্ত আছে), ৪ শতাংশ পুরুষ কোটায় এবং ৪ শতাংশ পোষ্য কোটায় অন্তর্ভুক্ত হবে।

প্রশ্ন – ০৫ : একটি উপজেলায় যে পরিমাণ পদ খালি আছে, তার কত গুণ বেশিসংখ্যক প্রার্থীকে এমসিকিউ পরীক্ষায় টেকানো হবে?

উত্তর : এটা মূলত পরীক্ষা কমিটি নির্ধারণ করে। এর সঙ্গে প্রার্থীর সংখ্যা, শূন্য পদের সংখ্যাসহ কয়েকটি বিষয় সম্পর্কিত। এর আগের নিয়োগ পরীক্ষাগুলোতে লিখিত পরীক্ষা থেকে শূন্য পদের চেয়ে ২.৫ থেকে ৩ গুণ বেশি প্রার্থী নেওয়া হয়েছিল।

77 thoughts on “প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০২১ । বিস্তারিত”

  1. কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে দেখুন। তারপরও মেসেজ না আসলে ১২১ নম্বরে কল দিন। কল দিয়ে ৮ প্রেস করে আবার ১ প্রেস করবেন, তাহলে সরাসরি এজেন্ট এর সাথে কথা বলতে পারবেন।

  2. সরাসরি যোগাযোগ করার কোনো প্রসেস আছ কি?

    মেসেজ আসতেছেনা?

    ১২১ এ কল দিয়া কথা বল্লাম।সরাসরি অফিসে যোগাযোগ করার জন্য?

    এডিট করা খুব দরকার?

  3. ঢাকা জেলার কয়েকটি থানায়(মতিঝিল,রমনা) শুন্য পদ নেই বলা হচ্ছে, তাহলে এইসব থানা থেকে আবেদন নিল কেন??
    দয়া করে সঠিক তথ্য দিয়ে সাহায্য করবেন। ধন্যবাদ

  4. হ্যা, ভাইভাতে সমস্যা হতে পারে। তাছাড়া আপনার সংশোধন করা একান্ত উচিত ছিল। যদিও সে সুবিধার সময় শেষ।

  5. pdf গুলোতো লক করা, ডাউনলোডের পর ওপেন করলে পাসওয়ার্ড চাচ্ছে। পাসওয়ার্ড কি?

  6. কোটা কি প্রিলি থেকে নির্ধারণ করা হবে নাকি মৌখিক পরীক্ষা থেকে নির্ধারণ করা হবে?

  7. sheikh jahid bin satter

    নতুন করে আবার কি সংশোনের সুযোগ দেওয়া হবে নাকি?

    1. না, এখন সংশোধন করার কোনো সম্ভভাবনা নেই। তবে ভাইভাতে যোক্তিক কারণ দেখাতে পারলে আশাকরি সমস্যা হবে না।

  8. sheikh jahid bin satter

    সমাধান চাই, ধরুন আমি এক এলাকার ভোটার কিন্তু আমি অন্য জেলায় আবেদন করেছি। আবেদন করার সময় এনআইডির নম্বরও দিয়েছে। মুলত আমি ওই জেলার স্হায়ী বাসিন্দা ছিলাম। নদী ভাঙ্গনের কারণে অন্যত্র গমন করেছি। সে ক্ষেত্রে আমার জন্মসনদ আছে আবেদন কৃত জেলার। এখন কি আমার ভোটার স্হানান্তর করতে হবে। যদি রিটেনে টিকি সে ক্ষেত্রে জন্ম সনদ ভাইবাতে দেখালে হবে কি? আবার শুনতেছি এবার নাকি ভাইবার আগে সবকিছু যাচাই বাছাই করবে। এখন আমার কি করার আছে। জানাবেন প্লিজ।

    1. আপনার জন্মসনদ যদি আবেদন কৃত জেলার হয়ে থাকে, তাহলে ভোটার অন্য জেলায় হবেন কেন? সাধারণত জন্মসনদ এর ঠিকানা অনুযায়ি ভোটার করা হয়। আচ্ছা আগে আপনি এটা ঠিক করুন যে আপনার ভোটার আইডি ও জন্মসনদ কোন জেলার?

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!