জাতীয় বিশ্বিবদ্যালয়ে অনার্স ভর্তির আবেদন নিয়ম

অনার্স ভর্তির আবেদন নিয়ম ২০২১ | জাতীয় বিশ্বিবদ্যালয়ে অনার্স ভর্তির আবেদন নিয়ম : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনার্স ভর্তির প্রাথমিক আবেদন আজ (২৮ জুলাই) বিকাল ৪ টা হতে শুরু হয়েছে এবং চলবে ১৪ আগস্ট ২০২১ তারিখ রাত ১২ টা পর্যন্ত। সুপ্রিয় অনার্স ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা! আপনারা এই পোষ্ট থেকে খুভ সহজে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনার্স ভর্তির প্রাথমিক আবেদন নিয়ম ও পদ্ধতি ছবিসহ বিস্তারিতভাবে জানতে পারবেন। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক :

জাতীয় বিশ্বিবদ্যালয়ে অনার্স ভর্তির আবেদন নিয়ম

আপনারা জেনে খুশি হবেন যে অনার্স ভর্তির প্রাথমিক আবেদন মোবাইলের মাধ্যমেও করা যাবে। তবে একটা সমস্যা হবে তা হছে ছবি। আশাকরি সে ব্যাপারেও সহজ সমাধান দিব। অর্থাৎ যেভাবে মোবাইলের মাধ্যমে ১৫০ বাই ১২০ পিক্সেলের ছবি তৈরি করবেন সে ব্যাপারে বলবো। তবে আবেদন করার আগে অবশ্যই যে তথ্যগুলো লাগবে সেগুলো কাছে রাখতে হবে। তাহলে এখন জেনে নেই আবেদন করতে কি কি লাগবে?

প্রাথমিক আবেদন করতে যেসব জিনিস লাগবে

  • SSC বা সমমান (দাখিল, ভোকেশনাল) পরীক্ষার রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর
  • HSC বা সমমান (আলিম, ভোকেশনাল) পরীক্ষার রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর
  • এক কপি রঙ্গিন ছবি (১৫০ বাই ১২০ পিক্সেল, সাইয ৫০ kb)
  • একটি ইমেইল এড্রেস ও একটি মোবাইল নম্বর

অনার্স ভর্তির আবেদন করবেন যেভাবে

অনার্সে আবেদন করার আগে কিছু কথা জেনে রাখা ভালো যে, আপনার পয়েন্ট যদি কমপক্ষে ৮.৫০ এর কম হয় তাহলে কোনো শহর বা সিটি কলেজে আবেদন না করাই ভালো। কেননা শহরের কলেজ গুলোর মান ভালো। আরেকটা বিষয় পয়েন্ট কম হওয়া সত্তেও যদি সিটি কলেজে আবেদন করতে চান তাহলে যে কলেজে সিট বেশি আছে এবং সদরের বাহিরে অবস্থিত এমন কলেজে আবেদন করবেন।

আরও পড়ুন : সরকারি কলেজে ভর্তির জন্য কত পয়েন্ট লাগবে ২০২১

আপনি যদি এটা ভাবেন যে চান্স হলে হলো একবার এপ্লাই করে দেখি। এটা করলে পরে পস্তাবেন। হয়ত কারো কারো ক্ষেত্রে সুফল বয়ে আনবে। তবে রিস্ক বেশি। কারন যেকোনো ১টি কলেজে আবেদন করতে পারবেন এবং রিলিজ স্লিপের সময় অপেক্ষাকৃত ভালো কলেজের সিট খালি নাও থাকতে পারে। তাই এমন কলেজে আবেদন করুন যেটাতে আপনার চান্স হওয়ার সম্ভাবনা কমপক্ষে ৭০% থাকে।

উপরিউক্ত মতামত গুলো আমি আমার ৪ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। যদি কোনো ভুল ত্রুটি হয় তাহলে করুণার দৃষ্টিতে দেখবেন। যাইহোক এখন আমরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনার্স ভর্তির প্রাথমিক আবেদন নিয়ম ছবিসহ বিস্তারিত দেখবো। চলুন শুরু করি!

আরও পড়ুন : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনার্স ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২১

প্রথম ধাপ : অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তির জন্য প্রাথমিক আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন। এবার SSC ও HSC পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিঃ নম্বর, বোর্ড ও পাসের সন দিয়ে Next বাটনে ক্লিক করুন।

অনার্স ভর্তির আবেদন নিয়ম ১

একটি সমস্যার সমাধান : যেসব শিক্ষার্থী বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এইচএসসি বা এসএসসি পাশ করেছে তারা অনার্সে আবেদন করতে গিয়ে রোল নম্বর বা রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে পারে না। তারা যেভাবে আবেদন করবে তার নিয়ম হচ্ছে, তাদের যে স্টূডেন্ট আইডি নম্বর আছে ঐটাই রোল নম্বর। তাহলে রেজিস্ট্রেশন নম্বর কোনটা? উত্তর হচ্ছে তাদের ঐ স্টূডেন্ট আইডি নম্বরের শেষ ৬ ডিজিট-ই হচ্ছে রেজিস্ট্রেশন নম্বর। তবে ঐ ৬ ডিজিট ডেস (-) ছাড়া বসাতে হবে। এভাবে উন্মুক্ত থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীদের এসএসসি ও এইচএসি রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেয়া হয়। নিম্নের ছবিতে দেখুন :

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এইচএসসি বা এসএসসি পাশ করে যেভাবে অনার্সে আবেদন করবেন - edu masail

দ্বিতীয় ধাপ : এই ধাপে আবেদনকারী তার SSC ও HSC পরীক্ষার ফলাফলসহ সব তথ্য দেখতে পাবে এবং নিচের দিকে গেলে আবেদনকারীর নামসহ তার পিতা-মাতার নাম, জন্মতারিখ এবং লিঙ্গ অপশন দেয়া থাকবে, সেই অপশন ভাল করে দেখবেন যে কি দেওয়া আছে। (এখানে কোনো ভুল হলে অবশ্যই সঠিক লিঙ্গ দিবেন) তারপর Next বাটনে ক্লিক করুন।

তৃতীয় ধাপ :  তারপর যে পেজ আসবে সে পেজের একেবারে বাম দিকের প্রথম কলামে দেখতে পাবেন Eligible Subject List (অর্থাৎ যেসব বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু আছে তা) দেওয়া আছে। এই তালিকা থেকে আপনি জানতে পারবেন যে, আপনি কি কি বিষয় নিয়ে অনার্সে পড়তে পারবেন।

অনার্স ভর্তির আবেদন নিয়ম ৩

তারপর দ্বিতীয় কলাম থেকে আপনাকে কলেজ নির্বাচন করতে হবে। উল্লেখ্য যে, শুধুমাত্র একটি কলেজে আবেদন করতে পারবেন। কলেজ সিলেক্ট করতে আপনাকে প্রথমে বিভাগ নির্বাচন করতে হবে। তারপর জেলা নির্বাচন করতে হবে। (অবশ্য আপনি যে কলেজ চয়েজ দিতে চান সেই কলেজ যে বিভাগ ও জেলায় অবস্থিত, আপনাকে সেসব বিভাগ ও জেলার নাম দিতে হবে) এবং সব শেষে নিচের বক্স থেকে ঐ ভর্তিচ্ছু কলেজের নাম নির্বাচন করতে হবে।

এরপর তৃতীয় কলামে আপনি Subject choice করার অপশন পাবেন এবং কোন বিষয়ে কতটি সিট আছে, তাও ডান পাশে দেখতে পাবেন। এখন আপনি যে সাবজেক্টি প্রথম চয়েজ দিবেন, সেটাতে প্রথমে ক্লিক করুন। তারপর, দুই নম্বরে যে সাবজেক্ট চয়েজ দিবেন সেটাতে ক্লিক করুন। এভাবে একের পর এক সাবজেক্ট চয়েজ করতে পারবেন। উল্লেখ্য সাবজেক্ট চয়েজ খুভ সাবধানে দিবেন। সাবজেক্ট চয়েজ করা শেষ হলে Next বাটনে ক্লিক করুন।

চথুর্থ ধাপ : এখন যে পেজ আসবে তাতে কোটা দেয়া থাকবে। আপনার যদি কোনো কোটা থাকে তাহলে Yes অপশনে ক্লিক করে কাঙ্ক্ষিত কোটা সিলেক্ট করূন এবং যে ধরনের কোটা আছে তা সিলেক্ট করুন। আর যদি কোটা না থাকে তাহলে No অপশনে ক্লিক করে Next বাটনে ক্লিক করূন।

পঞ্চম ধাপ : এই পর্যায়ে আবেদনকারীর একটি ছবি, একটি মোবাইল নম্বর এবং একটি ই-মেইল প্রদান করতে হবে। ছবিটি অবশ্যই ১৫০ পিক্সেল উচ্চতা, ১২০ পিক্সেল প্রস্থ এবং সাইজ ৫০ কেবি সহ png ফরম্যাটে হতে হবে। মোবাইলের মাধ্যমে উক্ত সাইযে ছবি তৈরি করার পদ্ধতি একদম নিম্নের দিকে দেখুন :

তারপর preview application অপশনে ক্লিক করে দেখুন আপনার দেওয়া তথ্য ঠিকটাক আছে কিনা। আপনি নিশ্চিত হলে নিচে থাকা Submit Application অপশনে ক্লিক করুন।

তারপর pdf আকারে একটি ফাইল (ফরম) আসবে সেটাতে ক্লিক করে ফরমটি ডাউনলোড করুন এবং উক্ত ফরমটি [A4 (8.5″*11″) অফসেট সাদা কাগজে] প্রিন্ট করে নিন। তবে আপনি চাইলে পরবর্তীতেও ঐ ডাউনলোড ফাইল থেকে কম্পিউটার ঘর থেকে প্রিন্ট কপি করে বের করতে পারবেন।

এবার শুধু অনলাইনে আবেদন করলেই হবে ফরম সহ কোনো কাগজপত্র ভর্তিচ্ছু কলেজে জমা দিতে হবে না। বরং আবেদন ফি বাবদ ২৫০/- ভর্তিচ্ছু কলেজ কর্তৃক নির্ধারিত মার্চেন্ট নম্বরে টাকা জমা দিতে হবে। অর্থাৎ আপনি যে কলেজে আবেদন করেছেন সে কলেজে নোটিশের মাধ্যমে টাকা জমা দেওয়ার নম্বর জানিয়ে দিবে। আপনি চাইলে উক্ত কলেজের ফেসবুক পেইজ বা গ্রুপ অথবা ওয়েবসাইট থেকে নম্বর সংগ্রহ করতে পারবেন।

আবেদন ফি জমা দেয়ার নিয়ম

আবেদন ফি বিভিন্ন মাধ্যমে দেয়া যায়। যথা : নগদ, শিওরক্যাশ ও বিকাশ। তবে আপনাকে কোন মাধ্যমে টাকা পে করতে হবে সেটা ভর্তিচ্ছু কলেজের ওয়েবসাইট বা ফেসবুক গ্রুপ বা পেইজ থেকে জানতে পারবেন। যাইহোক আমি এখন দেখিয়ে দিব যেভাবে নগদের মাধ্যমে অনার্স ভর্তির আবেদন ফি জমা দিবেন :

  • নগদ এপ থেকে টাকা পে করার নিয়ম : নগদ এপে প্রবেশ করে বিল পে বাটনে ক্লিক করুন। তারপর Biller AC Number দিন (অর্থাৎ আপনার ভর্তিচ্ছু কলেজ যে নম্বর দিবে সেই নাম্বার দিন। নাম্বার দেওয়ার সাথে সাথে কলেজের নাম আসবে তাতে ক্লিক করুন। তারপর আপনার Student ID number দি্যে next বাটনে ক্লিক করুন। অর্থাৎ আবেদন ফরমে যে স্টুডেন্ট আইডি নাম্বার দেয়া থাকবে সেটা দিবেন। তারপর টাকার পরিমাণ দিয়ে পিন দিয়ে ট্যাপ করে ধরে রাখুন। বেস! পেমেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন হলে সাকসেসফুল মেসেজ মোবাইলে আসবে।

  • নগদ এপ ছাড়া টাকা পে করার নিয়ম : প্রথমে *167# ডায়াল করুন। তারপর Bill Pay সিলেক্ট করুন। তারপর Others সিলেক্ট করুন। সহজে খুজে পেতে ১১ লিখে সেন্ড করুন। তারপর Biller AC Number দিন বেছে নিতে ১ লিখে সেন্ড করুন। এবার Biller AC Number দিন (অর্থাৎ আপনার ভর্তিচ্ছু কলেজ যে নম্বর দিবে সেই নাম্বার দিন। তারপর আপনার Student ID number লিখে সেন্ড করুন এবং সবশেষে পিন নম্বর দিয়ে সেন্ড করুন। বেস! পেমেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন হলে সাকসেসফুল মেসেজ মোবাইলে আসবে।

টাকা পে করার পর করণীয়

ফি জমা দেয়ার পর আপনার আবেদন ফরমে দেওয়া নম্বরে পেমেন্ট সাকসেসফুলি একটি মেসেজ আসবে। এমতাবস্থায় আপনার আবেদন পুরোপুরিভাবে সম্পূর্ণ হবে। তবে আপনি চাইলে পেমেন্ট করতে দেরি করতে পারবেন। অর্থাৎ ফি জমা দেওয়ার মধ্যে যেকোনো সময় ফি জমা দিলেই হবে।

কিন্তু সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃক যদি প্রাথমিক আবেদন নিশ্চায়ন করার কোনো মেসেজ আবেদনকারীর মোবাইলে না আসে তখন অবশ্যই কলেজের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। কারন সংশ্লিষ্ট কলেজ প্রাথমিক আবেদন নিশ্চায়ন না করলে পরবর্তীতে কেউ ভর্তি হতে পারবে না। এমনকি রিলিজ স্লিপেও আবেদন করতে পারবে না। তাই বিষয়টি খুভই গুরুত্ব সহকারে দেখতে হবে।

তবে ২-৩ দিন অপেক্ষা করার পরও আবেদনকারীর মোবাইলে কোনো মেসেজ না আসলেও অনলাইনের মাধ্যমে জানা যাবে যে নিশ্চায়ন করা হয়েছে কিনা। তা জানতে এই আর্টিকেল পড়ুন।

মোবাইল দিয়ে আবেদন ছবি তৈরি করবেন যেভাবে

আবেদনের জন্য ছবি এডিট করতে প্রধানত দুইটা কাজ করতে হয়। এক : ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমোভ ও কলার পরিবর্তন করা। দুই : ছবিটা রিসাইজ করা। আমি উভয় কাজ মোবাইলের মাধ্যমে করার পদ্ধতি শিখিয়ে দিব। তাও কোনো এপ ইন্সটল করা ছাড়া। তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক :

ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমোভ ও কলার পরিবর্তন করার আগে ছবিটি আনুমানিক পাসপোর্ট সাইজ বা বুক পর্যন্ত ক্রোপ (crop) করে নিবেন। তারপর আপনি এই সাইটে যাবেন। তারপর ছবি আপলোড করবেন। ক্যাপচা পূরণ করতে বললে i am human বলে ক্যাপচা পূরণ করুন। তারপর দেখবেন ছবিটি অটোমেটিক ব্যাকগ্রাউন্ড রিমোভ হয়ে গেছে।

এখন কালার পরিবর্তন করতে Edit অপশনে ক্লিক করুন। তারপর নিচের দিকে কয়েকটা ব্যাকগ্রাউন্ড ইমেজ আসবে সেখান থেকে আপনি সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড সিলেক্ট করুন। বেস! মূহুর্তের মধ্যে ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড ও কালার পরিবর্তন হয়ে গেল। এবার ডাউনলোড এরো থেকে ছবিটি ডাউনলোড করুন।

আবেদন করার ছবি ১৫০ বাই ১২০ পিক্সেলে পরিবর্তন করতে প্রথমে আপনি এই সাইটে যান। তারপর (Select image এ ক্লিক করে) ছবি আপলোড করুন। ছবি আপলোড হয়ে গেলে dimansions এ ক্লিক করুন। তারপর width 120 ও height 150 দিয়ে Resize অপশনে ক্লিক করুন। তারপর ছবিটি ডাউনলোড করুন। বেস ছবিটি এখন আবেদন ফরমে দেয়ার উপযোগী হয়ে গেল!

আবেদন ফরম বাতিল বা সংশোধন করার নিয়ম

আবাদেনকারী আবেদন করার সময় ছবি ভুল দিলে বা হলে তা সংশোধন করতে পারবে। এমনকি আবেদনকারী তার আবেদন বাতিলও করতে পারবে। তবে এই সুযোগ মাত্র একবারই পাবে। যাইহোক আবেদন ফরম বাতিল বা সংশোধন করার নিয়ম নিম্নরুপ ;

আবেদনকারিকে প্রথমে এই লিংকে ক্লিক করে ভর্তি রোল ও পিন নম্বর দিতে হবে। এরপর বাম পাশে থাকা মেনু বার থেকে Form Cancel / Photo change option এ ক্লিক করে Click to generate the security key অপশনে ক্লিক করতে হবে। তারপর আবেদন ফরমে উল্লিখিত আবেদনকারির মোবাইলে একটা One Time Password (OTP) যাবে। এখন ঐ otp দিয়ে আবেদনকারী তার পূর্বের আবেদন বাতিল করে নতুনভাবে আবেদন ফরম পুরণ সহ ছবি পরিবর্তন করতে পারবে।

তবে কলেজ কর্তৃক আবেদনকারীর আবেদন নিশ্চায়ন করা হয়ে গেলে তা আর সংশোধন করা যাবে না এবং আবেদনকারী তার ছবি মাত্র একবারই পরিবর্তন করার সুযোগ পাবে।

42 thoughts on “জাতীয় বিশ্বিবদ্যালয়ে অনার্স ভর্তির আবেদন নিয়ম”

  1. ধন্যবাদ ভাইয়া! ভালো কিছু জানতে পারলাম।

  2. আসাদুজ্জামান

    কলেজ কতৃক নির্বাচিত কনফার্ম ম্যাসেজ এর নমুনা দিলে ভালো হতো।

    1. ভাইয়া আমার কাজিন প্রথম বারে application ই করেনি আসলে সে জানতো না।। এখন করনীয় কি?

      1. কিছুই করারর নেই। এখন হয় অনার্স প্রফেশনালে ভর্তি হবে নতুবা ডিগ্রি তে ভর্তি হবে। অথবা পরের বছর অনার্সে আবেদন করতে পারবে।

  3. SYED NUR MOHAMMOD

    তেজগাঁও কলেজের পেমেন্ট একাউন্ট নং জানাবেন কি?

    1. তেজগাঁও কলেজের সম্ভবত নিজস্ব ওয়েবসাইট নাই। তাই আপনি তেজগাঁও কলেজের ফেসবুক গ্রুপ বা পেইজে জিজ্ঞাসা করে নম্বর সংগ্রহ করতে পারেন।

  4. ভাইয়া আমি 2016 সালে এসএসসি পাস করছি আর এইচএসসি 2021 : আমি কি আবেদন করতে পারব?

    1. ভাইয়া আমি যদি রিলিজ স্লিপ আবেদন মোবাইল ফোন থেকে করি তাহলে কি ভাবে ফরমটি ডাউনলোড ‌‌করব

      1. প্রথমত রিলিজ স্লিপের আবেদনের সময় আমাদের ওয়েবসাইটের পোস্ট থেকেই সবকিছু জানতে পারবে। আর রিলিজ স্লিপে আবেদন করার পরই ফরম ডাউনলোড করার একটি পিডিএফ লিংক পাবে ঐটা ডাউনলোড করে রাখবে। পরে কম্পিউটার ঘর থেকে প্রিন্ট করে বের করতে পারবে।

        যদি আবেদন করার পরই ফরম ডাউনলোড না করো। তাহলে applicant login এ ক্লিক করে রোল ও পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রবেশ করে, admit card থেকে ফরম ডাউনলোড করতে পারবে।

    1. একেক কলেজের একেক নাম্বার থাকে। আবার কোনো কলেজে বিকাশ, আবার কোন কলেজ শিওর বা নগদের মাধ্যমে ফি গ্রহণ করে থাকে। তাই একই পোষ্টে বাংলাদেশের শত শত কলেজের ফি প্রদানের নাম্বার দেয়া সম্ভব না। সে জন্য আপনাকে নাম্বারটা ভর্তিচ্ছু কলেজের ওয়েবসাইট অথবা ফেসবুক পেইজ বা গ্রুপ থেকে সংগ্রহ করতে হবে।

  5. Vai Ami Commerce Thakei Duto Milay 6.83 Payasi. Ami Devendra Govt. College Apply Koracy. Accounting, Marketing, Management, Finance Chance Pawer Somvona Koto Parcentage. Kon Subject Asta Para?

    1. ৭ পয়েন্টের চেয়ে কম অর্থাৎ ৬.৮৩ পয়েন্ট দিয়ে শহরের সদর কলেজে চান্স পাওয়া খুভই টাফ। দুঃখজনক হলেও সত্য যে আপনার ৪০% সম্ভাবনা আছে চান্স হওয়ার।

  6. mahmudul hasan

    আবেদন করার পর যদি ওই কলেজে সিলেক্ট না হই তখন কি হবে?

    1. মেধাতালিকা ৩ বার প্রকাশিত হবে। ১ম মেধাতালিকায় চান্স না হলে ২য় বা ৩য় মেধাতালিকায় চান্স হতে পারে। তাও না হলে রিলিজ স্লিপে আবার নতুন করে ৫ টা কলেজে আবেদন করতে পারবে।

  7. ভাইয়া আমি 2016 সালে এসএসসি এবং 2020 সালে এইচএসসি পাশ করছি আমি কি আবেদন করতে পারবো‌‌ ?

  8. আমার এক ভাইয়ের এসএসসি তে ২.৭২ বানিজ্যিক বিভাগে এইচএসসি তে ২.৯২ সে কি আবেদন করতে পারবে?

    1. আপনার ভাই যদি এসএসসি বাণিজ্যিক বা বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৩.০০ পয়েন্ট না পায় তাহলে আবেদন করতে পারবে না। আবার এসএসসি পাস যদি কমপক্ষে ২০১৭ সাল না হয় তাহলেও পারবে না।

    1. আপনার মূল ছবির রেজুলেশন কম বা ভালো স্বচ্ছ না হওয়ার কারনে এমন হতে পারে। আর যদি রেজুলেশন ৩০০ এবং ভালো স্বচ্ছ ছবি হওয়ার পরও এমন হয় তাহলে এই লিংকে গিয়ে চেষ্টা করে দেখুন।

      1. রাব্বি

        ভাই আমি ছবি দিতে পারি না। ছবি দিবো কিভাবে?

        1. ভালো করে নিয়মগুলো পড়ুন। তারপর চেষ্টা করুন। তারপরও না পারলে আমাকে ছবি তুলে কারন দেখাবেন অথবা লিখে বলবেন।

  9. আসসালামু আলাইকুম! আমার একটা বিষয় খুব জানা প্রয়োজন আমাকে উত্তর দিয়ে সাহায্য করবেন প্লিজ। আমি এসএসসি ২০১৮ বাউবি (বাংলাদেশ উম্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়) বোর্ড থেকে পাস করি। জিপিএ ৩.১২
    এইসএসচি ২০২০ চট্টগ্রাম বোর্ড থেকে পাস করি। জিপিএ ৩.২৫।

    এসএসসি তে আমাদের আইডি/রোল নাম্বার ছিলো শুধুমাত্র। রেজিঃ নাম্বার ছিলো না। এখন আমি কি ভাবে আবেদন করবো বুঝতেছিনা। সময়ও নাই এখন।

    আরেকটা বিষয় হচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এ কি বয়স সীমা আছে? আমার জন্মঃ ২২-০৫-১৯৯৯ইং। আমাকে প্লিজ সাহায্য করুন।

    1. ওয়ালাইকুমুস সালাম। না কোনো বয়স সিমা নাই। আর বাকি উত্তর (রেজি নম্বর সংক্রান্ত সমস্যা) আমি পোষ্টের মধ্যে রাত ১১ টার মধ্যে সংযোজন করে দিব ইন-শা-আল্লাহ!!

      1. কোথায় পোস্ট দিবেন? আমি যদি খুজে না পাই। আমাকে মেইল করে দিবেন কষ্ট করে প্লিজ।

        1. কাল রাত ই আপডেট করে দেওয়া হয়েছে। আর সবকিছু সব জায়গায় দেওয়া যায় না। আপনি যে পোষ্টে কমেন্ট করছেন ঐ পোষ্টের আবেদন করার নিয়ম প্যারার ১ম ধাপে দেখুন।

          1. আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনি অনেক বড় একটা উপকার করলেন। আমি আপনাকে ব্যাক্তিগত ভাবে চিনিনা। তাও আপনার জন্য মন থেকে শুধু দোয়া আসতেছে। আল্লাহ আপনার নেক হেদায়েত দান করুক।

  10. ভাই আমি আপনার দেখানো নিয়মে আবেদন করছি। এখন যে কলেজ দেখে যে শর্ত দেছে ভর্তি আবেদন ফরমের উপরে অবশ্যই শিক্ষার্থর মোবাইল নম্বর লিখে এবং ডাচ বাংলা ব্যাংকের পে স্লিপ স্ক্যান করে pdf ফাইল আকারে কলেজের ইমেইল আইডি তে পাঠাতে হবে। ভাই প্লিজ একটু জানাবেন ফোন দিয়ে এটা কিভাবে করব?

    1. আমি তো গতকাল এর উত্তর দিয়েছি। আর না পারলে বলছি আমাকে ওয়েবসাইটের contact me থেকে ইমেইল করতে। আমার what’s app number : 01781153570 (শুধুমাত্র টেক্সট দিবেন)

      1. আলাহমদুলিল্লাহ আপনার দেখানো নিয়ম এ উত্তর বুঝতে পারছি। ইনশাআল্লাহ করতেও পারব। এখন শুধু জানতে চাচ্ছি আবেদন ফরমের উপর শিক্ষার্থীর নাম্বার কিভাবে দিব? আবদন ফরম ফটো এডিটের মাধ্যমে নাম্বার দিয়ে পরে তা pdf এ কনভার্ট করে পাঠালেই কি হবে?

  11. Md.Yeasin Ali

    অনার্স ভর্তি সময় বারানো হইছে কি না?

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!